বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয়ের মহাব্যবস্থাপক এএফএম আসাদুজ্জামান
জানান, সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ওই ছয় জনকে কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠানো
হয়।
আসাদুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “চিঠিতে ওই ছয় জনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে যে কোনো একটি পদ ছাড়তে বলা হয়েছে।”
এরা হলেন- রুবেল আজিজ, মেহেরুন হক, হোসেন মেহমুদ, আজিজ আল কায়সার, হোসেন খালেদ এবং শহিদুল আহসান।
প্রথম
চারজন একইসঙ্গে দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেড ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স অ্যান্ড
ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
এদের
মধ্যে আজিজ আল কায়সার দুটি কোম্পানিরই পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের
দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া তিনি জিএফসি ফাইন্যান্স লিমিটেড নামে আরেকটি
প্রতিষ্ঠানেরও পরিচালক।
আর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট হোসেন খালেদ
একইসঙ্গে দ্য সিটি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্স অ্যান্ড
ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন।অপরজন শহিদুল আহসান একইসঙ্গে মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন।
আইন
অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি একটা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে থাকলে একইসঙ্গে অন্য
কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারেন না।
একাধিক
প্রতিষ্ঠানে থাকার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ
থেকে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ (সংশোধিত ২০১৩) এর ২৩(১)(ক) উপধারা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়।
আসাদুজ্জামান বলেন, “সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কোম্পানি সেক্রেটারি বরাবর এই চিঠি পাঠানো হয়।”
কোন মন্তব্য নেই: