সর্বশেষ

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks
ছবি: সাইফুল ইসলামলক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার শায়েস্তানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এভাবেই কর্মীরা ব্যালটবাক্সে সিল মারা ব্যালট পেপার ভরছেন।
ছবি: হাসান রাজানারায়ণগঞ্জের তারাবতে একটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপারে সিল মারছেন এক নির্বাচনী কর্মকর্তা।
ছবি: হাসান রাজানারায়ণগঞ্জের তারাবতে একটি কেন্দ্রে চলছে ভোট কারচুপি।
ছবি: সোয়েল রানাবগুড়া শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তাপসী রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ সময় কেন্দ্রের ভেতরে ককটেল পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ছবি: শংকর দাসবিএনপি ও আওয়ামী লীগের কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার পর আজ সকালে কুয়াকাটা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাঞ্জুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বহিরাঙ্গন।
ছবি: সাইফুল ইসলামব্যালটবাক্স এলাকা ঘিরে চলছে সিল মারা। ছবিটি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার শায়েস্তানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে তোলা।
ছবি: প্রথম আলোপটুয়াখালীর কুয়াকাটার ৮ নম্বর পাঞ্জুপাড়া ভোট কেন্দ্রে হামলা করে ব্যালটবাক্স ভেঙে ফেলে দুর্বৃত্তরা।
ছবি: তৌহিদী হাসানকুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর ১০০ ব্যালট পেপারের একটি বান্ডিল পানিতে ভেসে থাকে। এটি উদ্ধারে একজন আনসার সদস্য পানিতে নামেন। ছবিটি আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে কুমারখালী আদর্শ ডিগ্রি মহিলা কলেজ থেকে তোলা।
ছবি: প্রথম আলোমুন্সিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার সময় একজনকে এভাবে অস্ত্র হাতে দেখা যায়। ছবিটি আজ পৌরসভার পিটিআই মোড় থেকে তোলা।
ছবি: এম সাদেক কুমিল্লার লাকসাম পৌরসভা নির্বাচন চলাকালে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র থেকে উত্তরাদা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ আটজনকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করে র‍্যাব। ছবিটি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তোলা।
ছবি: প্রথম আলোপাবনার সুজানগর পৌরসভার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে হামলা করে ভোট কারচুপি করতে এলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের আটক করে। ছবিটি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তোলা।
ছবি: খলিল রহমানসুনামগঞ্জ পৌরসভার একটি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকেরা সাংবাদিকদের ঢুকতে বাধা দেন ও মারধর করেন। এর প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক ওই কেন্দ্রের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সাংবাদিকেরা।
ছবি: সোয়েল রানাবগুড়া শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তাপসী রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে ভোট গ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। ছবিটি আজ বুধবার দুপুরে তোলা।
ছবি: সোয়েল রানাবগুড়া শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়াকুবিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে কাউন্সিলর প্রার্থীর বুথ ভাঙচুর করা হয়। ছবিটি আজ বুধবার দুপুরে তোলা। 
শিক্ষকদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কিছু নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা বৃদ্ধির আন্দোলন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকবে কেন? আমার এখানে হস্তক্ষেপ করার কিছু নেই। ৯১ শতাংশ বেতন বাড়িয়েছি। কেউ কি কখনো কল্পনা করেছে, এই শিক্ষকদের জিজ্ঞাসা করেন। কখনো কেউ চিন্তা করেছে? আমি মনে হয়, একটু বেশি দিয়ে ফেলেছি। কমিয়ে দেওয়াই বোধ হয় ভালো ছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের চাকরির বয়স ৬৫ বছর আর সরকারি চাকরিজীবীদের বয়স ৫৯ বছর। এগুলো তো বিবেচনায় নিতে হবে। আজকে যেটা নিয়ে আলোচনা করছে, সেটা নিয়ে আমারই তো প্রস্তাব ছিল। পিএসসির একটা আলাদা ইউনিট করে আমরা চাচ্ছিলাম... কিন্তু ওনারা আন্দোলন করছেন। তার মানে যে বেতন বাড়িয়েছি, নিশ্চয় তাঁরা বর্ধিত বেতন গ্রহণ করবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত সমাধান না হয়।’

শিক্ষকদের উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওনারা সচিবদের সঙ্গে তুলনা করছেন। আচ্ছা সচিবরা কী কী সুবিধা পাচ্ছেন আর ওনারা কী কী ভোগ করছেন তার একটা তুলনামূলক চিত্র লেখেন না। কোনো সচিব কিন্তু অন্য কোথাও চাকরি করতে পারেন না। সেটা জানেন ভালো করে। কিন্তু আমাদের শিক্ষকেরা পারেন। কোন ইউনিভার্সিটির কত শিক্ষক কোন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে চাকরি করেন সে হিসাব কিন্তু আমার কাছে আছে।’

শিক্ষকদের উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কথা নাই বার্তা নাই ওনারা ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করে দেবেন। কেন পড়াশোনা বন্ধ করবেন? শিক্ষকরা আন্দোলন করতে যাবেন, কীসের জন্য? আর যদি করতে হয়, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করার রাইট তো তাঁদের নাই। এই ছেলেমেয়েদের কী অবস্থা হবে! কতগুলি ক্লাস নষ্ট হচ্ছে। ক্লাসগুলি তো তাদের ঠিকমতো নিতে হবে। আর আমরা যেটা নিজেরাই চিন্তা-ভাবনা করছি, এটা নিয়ে তাদের আন্দোলন করার দরকার ছিল না। আন্দোলন যখন করছে, করতে থাকুক। এখানে আমার হস্তক্ষেপের কিছু নেই।’

তিনি বলেন, ‘তাঁরা আন্দোলন করছেন। বিষয়টি অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী দেখবেন। কমিটি করে দেওয়া হয়েছে, কমিটি দেখবে। কিন্তু আমি ওনাদের অনুরোধ করব—ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না।’

সরকারের অপর একটি সূত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আন্দোলন করে কোনও লাভ হবে না। শিক্ষকদের জন্য বেতন কাঠামোতে নতুন কিছূ করা হবে না।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড। ছবি: এএফপিজঙ্গি হামলার আশঙ্কায় বাংলাদেশ সফরে আপাতত না আসার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সফর স্থগিতের কথা জানান।
সফর স্থগিতের ঘটনায় ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেছেন, ‘পুরো ব্যাপারটাই হতাশার। গত ছয় দিন ধরে ব্যাপারটা নিয়ে আমরা অনেক কাজ করেছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে আপাতত এই সফর স্থগিত ঘোষণা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিল না।’
তিনি বলেন, ‘ছয় দিন আগে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিষয়ক দপ্তর (ডিএফএটি) আমাদের বাংলাদেশে অস্ট্রেলীয়দের সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা জানায়। এর পর থেকেই আমরা ব্যাপারটা নিয়ে কাজ করেছি। পুরো বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করেছি। আমাদের তিনজন কর্মকর্তা বাংলাদেশে গিয়ে বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডসহ তাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সবকিছু বিচার-বিবেচনা করে আমরা আপাতত এই সফর স্থগিত ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সাদারল্যান্ড অবশ্য আশাবাদী ‘সুবিধাজনক সময়ে’ এই সফর আবার অনুষ্ঠিত হবে, ‘আমরা এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করব। আমরা একসঙ্গে বসেই সিদ্ধান্ত নেব আবার কবে এই ক্রিকেট সিরিজের জন্য সময় বের করা যায়।’
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী এই সফর স্থগিতের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট ও এ দেশের ক্রিকেট সমর্থকদের প্রতি নিজেদের সহানুভূতির কথা জানান, ‘আমরা বাংলাদেশের ক্রিকেট ও ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু আমাদের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এ ছাড়া আর আমাদের কিছুই করার ছিল না।
তিনি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতি ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘তাদের সহযোগিতা ছিল অভূতপূর্ব।’



আবদুল মঈন খান (ফাইল ছবি)আবদুল মঈন খান (ফাইল ছবি)
মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় ইতালীয়কে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, “সাম্প্রদায়িক জুজুর ভয় দেখিয়ে এদেশে কেউ পার পাবে না। আমরা জানি, পশ্চিমা বিশ্বে এই জুজুর ভয় দেখিয়ে এই সরকার হয়তো অনেক কিছু লুফে নেওয়ার চেষ্টা করছে। হয়তো সাময়িকভাবে তারা লাভবান হতেও পারে।
“কিন্তু তারা যে সেটা পারবে না, জুজুর শিকার নিজেরাই হবে- তার প্রমাণ ঘটে গেছে গতকাল সন্ধ্যায়।”
বর্তমান সমাজ ব্যবস্থাকে ‘ক্ষয়িষ্ণু’ অভিহিত করে মঈন বলেন, “একজন সম্পূর্ণ নির্দোষ ব্যক্তি যিনি এদেশের নাগরিকও নন, এ দেশের কোনো ভালো-মন্দের সঙ্গে জড়িত না হয়েও একমাত্র এই দেশের ক্ষয়িষ্ণু সমাজ ব্যবস্থার শিকার হয়ে গতকাল তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।”
সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গুলশান-২ এর ৯০ নম্বর সড়কে ইতালির নাগরিক চেজারে তাভেল্লাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি আইসিসিও কো-অপারেশন নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রুফ (প্রফিটেবল অপরচ্যুনিটিজ ফর ফুড সিকিউরিটি) কর্মসূচির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ছিলেন।
ওই দিন রাতে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে জঙ্গি হুমকি পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘সাইট ইন্টিলিজেন্স গ্রুপ’ জানিয়েছে।
তবে আইএসের এই দাবির সত্যতা যাচাই হয়নি বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মঈন বলেন, “আজ সরকার পশ্চিমা বিশ্বের কাছে বার বার জুজুর ভয় দেখিয়ে মৌলবাদের ধোঁয়া তুলে যে খাল সৃষ্টি করেছে, সেই খালের ক্ষত শরীরে আজকের সরকার নিজেরাই পড়েছে এবং সেটাই গতকাল প্রমাণ হয়েছে।”
যুক্তরাষ্ট্রে সফররত শেখ হাসিনা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। তাভেল্লা হত্যাকাণ্ড, জঙ্গিবাদের শঙ্কা, দেশের রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। 
জঙ্গি হামলার শঙ্কায় অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট দলের সফর নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে গত সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে ইতালির নাগরিক চেজারে তাভেল্লাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে তাদের নাগরিকদের চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়।
এই হত্যার প্রসঙ্গ টেনে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা আবদুল মঈন খান বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক জুজুর ভয় দেখিয়ে’ সরকার নিজেই এখন তার শিকারে পরিণত হয়েছে।
তাভেল্লা হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাংবদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা অবাক হয়ে দেখলাম, বিভিন্ন দূতাবাস থেকে রেড অ্যালার্ট জারির পরই বিএনপির এক নেতা জোর গলায় কথা বলছেন।
“এখন তো সন্দেহ হয় যে, উনাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত, ওই ঘটনার সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা আছে কিনা। আমি দেশে ফিরে সে ব্যবস্থাও করব।”
বিএনপি-জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা বাংলাদেকে ‘অস্থিতিশীল’ করতে চায়, তারাই এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকতে পারে।
“দেশে একটি রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী মানুষ পুড়িয়ে মারে। মানুষ হত্যা করে দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়- এমন কিছু লোক তো বাংলাদেশে রয়েছে। তারা তো চাইবেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে। সেই শ্রেণির লোকদেরই কর্মকাণ্ড এগুলো।”
এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা জনজীবনে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করছি। তবে কিছু কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। তেমন ঘটনা এই আমেরিকাতেও ঘটছে।”
বছরের শুরুতে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের মধ্যে পেট্রোল বোমা হামলাসহ সহিংসতায় জড়িতদের বিচার ‘অবশ্যই করা হবে’ বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশে আদৌ কোনো বিরোধী দল আছে কিনা- এমন প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, “সংসদীয় রীতি অনুযায়ী যারা জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে বসছেন- তারাই সত্যিকারের বিরোধী দল। তবে আমাদের দেশে আরেকটি দল আছে, যারা নির্বাচনে যায়নি। নির্বাচনের পথ ছেড়ে দিয়ে যারা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও করেছে তারা রাজনৈতিক দল হতে পারে না। তারা জঙ্গি দল।”
২০১৯ সালের আগে নির্বাচনের সম্ভাবনা আছে কি না- এ প্রশ্নে সরকারপ্রধান বলেন, “আগাম নির্বাচন কেন? আমরা যে উন্নয়ন করছি এটি পছন্দ হচ্ছে না? হ্যাঁ, যারা বাংলাদেশের উন্নয়ন পছন্দ করবে না তারাই আগাম নির্বাচনের জন্যে চিৎকার করবে।”
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমের সঞ্চালনায় এ প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এবং রাষ্ট্রদূত এ কে এ মোমেন।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী এবং মশিউর রহমান, জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আব্দুস সোবহান গোলাপ, এফবিসিসিআই সভাপতি মতলুব আহমদ, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
| Copyright © 2013 BD Online News 24